ঢাকা, শুক্রবার ০৪, এপ্রিল ২০২৫ ২২:২৭:২৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ঈদযাত্রায় বাড়তি ছুটি: কাউন্টারে উপচে পড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:২৩ পিএম, ২৭ মার্চ ২০২৫ বৃহস্পতিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ভেতরে জায়গা নেই, যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় প্রতিটি কাউন্টারেই৷ বাধ্য হয়ে ছোট্ট মেয়ে মেহেরজানকে নিয়ে কল্যাণপুর হানিফ বাস কাউন্টারের বাইরে ফুটপাতে বসে পড়েছেন মা আফসানা। তবে এসব নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই তার। আফসানা  বলেন, বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি সবার জন্য কেনাকাটা করেছি। এই অপেক্ষাটা মধুর যন্ত্রণার। কতক্ষণে ফিরব বাড়ি।

তিনি বলেন, প্রতিবারই ঈদযাত্রায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়, বেশিরভাগ সময়েই বাসের শিডিউল বিপর্যয়, কখনো সড়কে যানজট। এবার সেরকম কিছুই ঘটেনি।

শুধু হানিফ বাস কাউন্টারই নয়, প্রতিটি কাউন্টার যেন যাত্রীতে ঠাসা। শিডিউল অনুযায়ী সময়মতো বাস ছেড়ে যাওয়ায় স্বস্তিতে থাকা যাত্রীদের অস্বস্তিতে ফেলেছে লাগেজের ভোগান্তি। বেশিরভাগ কাউন্টারেই অধিকাংশ যাত্রীকে লাগেজ নিয়ে বাইরে অপেক্ষায় বসে থাকতে দেখা যায়।


বুধবার (২৬ মার্চ) রাতে কল্যাণপুর বাস টার্মিনালে দেখা যায়, সড়কজুড়ে বাসের সারি। চাপ কমাতে শ্যামলী ও কল্যাণপুরের মাঝের ইউটার্ন বন্ধ করে দিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। এ ছাড়া লক্ষ্য করা যায় ট্রাফিক পুলিশের বাড়তি তৎপরতা। সড়কে চাপ না থাকলেও বাস কাউন্টারগুলোর দৃশ্য দেখলেই মনে হবে সব চাপ যেন কাউন্টারে। 

বসুন্ধরা এলাকায় বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের নয় যুবক। দেশ ট্রাভেলসের রাত ১১টার বাসের টিকিট কাটা তাদের। তাদেরই একজন শরিফুল ইসলাম বলেন, যানজটের ভোগান্তি এড়াতে আগে রওনা দিয়েছিলাম। ২ ঘণ্টা আগে বাস কাউন্টার এসে পৌঁছেছি। কাউন্টার থেকে বলেছে শিডিউলমতো বাস ছাড়বে। কিন্তু এই দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করার মতো জায়গা নেই কাউন্টারে। বাধ্য হয়ে লাগেজ-ব্যাগ নিয়ে কাউন্টারের সামনে বসে পড়েছি।

তিনি বলেন, লাগেজ আর অপেক্ষার ভোগান্তি থাকলেও বাস ছাড়ছে শিডিউলমতো। সময়মতো ঈদযাত্রা শেষ করতে পারাটাই তো বড় কথা।

দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও রুটের যাত্রী রায়হান বলেন, মায়ের জন্য ঈদে বাড়ি যাওয়া। এবার বাবা নেই। মাকে সঙ্গ দিতেই বউ-বাচ্চা নিয়ে বাড়ি যাচ্ছি। সকাল-সকাল রেডি হয়ে কাউন্টারে আসছি। ভালো লাগছে ছোট্ট বাচ্চা সালাউদ্দিনের জন্য। এবারই প্রথম দাদু বাড়ি যাচ্ছে ঈদ করতে।