ঢাকা, রবিবার ০৮, সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৮:১৮:২৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নামছে বন্যার পানি, বাড়ছে নদীভাঙন কুমিল্লায় বন্যায় ১১০০ কিলোমিটার পাকা সড়কের ক্ষতি যে কারণে বাড়ছে চালের দাম গাজায় টিকা কর্মসূচির মধ্যেই ইসরায়েলি হামলা:নিহত ২৭ শুল্ক কমলেও বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে আলু বঙ্গবন্ধু সেতুতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, ৩ জনের প্রাণহানী

আমের সঙ্গে যা খেলে হতে পারে মারাত্মক বিপদ

লাইফস্টাইল ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩৫ পিএম, ১১ জুন ২০২৪ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

চলছে আমের মৌসুম। গরমে জীবন অতিষ্ঠ হলেও আমপ্রেমীদের জন্য এই সময়টা বেশ উপভোগ্য। রসালো আর মিষ্টি স্বাদের পাকা আম অনেকেরই সকালের নাশতা থেকে শুরু করে রাতের খাবারেও থাকে। আম খেলে ভালো থাকে মন ও শরীর। এমনটাই দাবি আমপ্রেমীদের। 

তবে কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো আমের সঙ্গে খেলে বিপদ হতে পারে। এমন কিছু খাবার সম্পর্কে চলুন জেনে নিই- 

পানি
ফল খেয়ে পানি খেতে এমনিতেই বারণ করা হয়। আম খেয়ে পানি খাওয়া আরও মারাত্মক হতে পারে। আম খাওয়ার পরপরই পানি খেলে বুকজ্বালা, বদহজমের পাশাপাশি পেটের নানা সমস্যা হতে পারে। আম খাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা পরে পানি পান করুন। এর আগে নয়। 

তেল-মশলাদার খাবার
গরমে দুপুরে জমিয়ে ভূরিভোজের পর আয়েশ করে আম খান অনেকেই। কিন্তু তেল মশলাদার খাবার খাওয়া শেষে আম খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। আমে থাকা অ্যাসিড মশলার সঙ্গে বিক্রিয়া করে হজমের গোলমাল সৃষ্টি করে। 

দই
চিড়া, দই, আম, কলা একসঙ্গে মেখে খেতে ভালোবাসেন অনেকেই। রয়েছে প্রিয় খাবারের তালিকায়। কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলছেন, আমের সঙ্গে দই খাওয়া একদমই উচিত নয়। দুটো খাবার একসঙ্গে খেলে লাভের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কা বেশি। এমনকি আম খাওয়ার পরপরই দই খেতে বারণ করা হয়। এতে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

করলা
গরমের দিনে খাবার পাতে করলা ভাজা কিংবা করলার ডাল থাকেই। আর শেষ পাতে থাকে আম। জানেন কি, আমের সঙ্গে করলার এই যুগলবন্দি শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। করলা আর আম কাছাকাছি সময়ে খেলে বমি, মাথাঘোরা, পেট খারাপের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।  

নরম পানীয়
আম খাওয়ার পর ভুলেও ঠান্ডা কোমল পানীয় মুখে তুলবেন না। কারণ আম এবং এই ধরনের পানীয় দু’টোতেই চিনির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। ফলে এই দু’টি জিনিস একসঙ্গে খেলে হঠাৎই শর্করার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।