ঢাকা, শুক্রবার ২৮, ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ৩:০৯:৩৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
দেশ ও জাতির স্বার্থে কাজ করতে হবে: খালেদা জিয়া সীতাকুণ্ডে শিবচতুর্দশী মেলায় ৩ পুণ্যার্থীর মৃত্যু চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় লোকজন ২৩৪ শিশু ধর্ষণের মধ্যে ১৯৭টি মামলা জার্মানির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে ফেসবুকে হঠাৎ বিভ্রাট বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ডাক মধ্যরাতে ভূমিকম্পে কাঁপলো সিলেট

রোজার আগেই গুছিয়ে নেবেন বাসার যেসব জিনিস

লাইফস্টাইল ডেস্ক  | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৫২ এএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ বৃহস্পতিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

প্রতিবছর ঈদের আগে সম্পূর্ণ বাসা গভীরভাবে পরিষ্কার করা বা ডিপ-ক্লিনিং করা আমাদের নিয়মিত অভ্যাস। ভারি আসবাব পরিষ্কার করা, মেরামত করা, এমনকি নতুন আসবাব কেনাও হয় এ সময়। তবে রোজার শেষ দিকে ব্যস্ত নাগরিক জীবনে রোজা রেখে অফিস করে এসবের অনেক কাজই বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তাই একটু আগে থেকে প্ল্যান করলে কাজ কিছুটা সহজ হয়ে আসে। শেষ সময়ের জন্য কিছু কাজ থাকবেই, বাকিটা এগিয়ে নিতে পারেন এখনই।

জেনে নিন কোন জিনিসগুলো অগ্রিম গুছিয়ে রাখলে চাপ কমবে।
১. লেপ-কম্বল
শীত পেরিয়ে বসন্ত এসে গেছে, তবে প্রকৃতির হিমেল ভাব এখনও যায়নি। এ রকম ঠান্ডায় সাধারণত কাঁথা বা চাদর গায়ে ঘুমালেও আলসেমিতে বিছানার কোনায় রেখে দিয়েছেন লেপ বা কম্বলটি। কড়া রোদের একটি দিন ওই কম্বল বা লেপকে রোদে দিন, যে আপনাকে সারাটা শীত উষ্ণ রেখেছিল। তারপর এ বছরের মতো বিদায় জানিয়ে তুলে রাখুন আলমারিতে।


২. শীতের পোশাক
একইভাবে সোয়েটার, জ্যাকেটগুলোও ধুয়ে ধুয়ে গুছিয়ে রাখতে শুরু করুন। কাপড় ধোয়ার এই প্রক্রিয়া রোজার সময় বড়ই ক্লান্তিকর মনে হবে।

৩. পর্দা
পর্দা রোজ রোজ ধোয়া হয়ে ওঠে না বেশিরভাগ বাড়িতেই। তবে বাৎসরিক এই পরিষ্কার-অভিযানে ঘরে পরিষ্কার পর্দা টাঙানো আবশ্যক। আপনার বাসায় যদি ওয়াশিং মেশিন থাকে, তাহলে এ কাজ পরেও করতে পারেন। কিন্তু বাসায় যদি কাপড় ধোয়ার কাজটি গৃহকর্মী করেন, তবে রোজার মাসে তার ক্লান্তি ও ক্ষুধার কথা বিবেচনা করে ভারি পর্দা ধোয়ার কাজটি আগেই সেরে ফেলুন।


৪. রান্নাঘরের আনাচ-কানাচ
আগামী কিছুদিন রান্না ও খাবারের ধরনে পরিবর্তন আসবে অনেক রান্নাঘরেই। তাই সারা বছর তেমন ব্যবহার করেন না এমন জিনিসগুলো বের করে পরিষ্কার করে ফেলুন। সেই সঙ্গে আপনার রান্নাঘরকে একটি ডিপ-ক্লিনিং দিয়ে দিন।

৫. সোফার কভার-কুশন
ঈদে বাসায় মেহমান এলে কিন্তু বাইরের ঘরের সোফাগুলোতেই বসবেন। তাই ভারি ভারি সোফার কভারগুলো ধুয়ে শুকিয়ে নিন রৌদ্রজ্জ্বল কোনো দিনে।

৬. কার্পেট
আমাদের দেশে কার্পেট সাধারণত ছাদে নিয়ে রোদে দিয়ে আচ্ছা মতো ঝেড়ে নেওয়া হয়। কিন্তু এই কাজটিই বেশ পরিশ্রমসাধ্য। রোজা রেখে এই কাজ করা সবার জন্যই কষ্টকর। তাই রোজা শুরু হওয়ার আগেই পরিষ্কার করে নিন কার্পেটগুলো।

৭. পাপোষ ও ম্যাট
পাপোষ ও রাগ বা ম্যাট প্রচুর ধুলো ধরে রাখতে পারে। সেগুলোও এ সময় ধুয়ে ফেলা যায়। তবে আকারে বড় না হলে এই কাজটি পরে করার জন্যও রাখতে পারেন।


৮. তোষক
কার্পেটের মতো একই প্রক্রিয়ায় আমরা বিছানার তোষকের ধুলো ঝাড়ি। তোষক তো কার্পেটের থেকেও অনেক ভারী। এছাড়াও নিয়মিত তোশক রোদে দেওয়া স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো।

৯. ফ্রিজ
সেহেরি-ইফতারে খাবারের কিছু অগ্রিম প্রস্তুতি আপনার রান্নাঘরের কাজকে কমিয়ে আনতে পারে। কিন্তু এর অর্থ হলো আপনার ফ্রিজে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি জিনিস ঠিকঠাক সংরক্ষণ করতে হবে। তাই অগ্রিম প্রস্তুতি শুরু করার আগেই খাবার ভালো রাখতে ফ্রিজটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।

১০. ঘরের গাছপালা
আপনি যদি বাগানপ্রেমী হন, বা ঘরে গাছ রাখতে পছন্দ করেন, তাহলে সেগুলো নতুন করে সাজানো বা মরা পাতা পরিষ্কার করার মতো ছোটখাটো কাজগুলো সেরে ফেলতে পারেন।


রোজা আসতে মাত্র চারদিন বাকি। এত অল্প সময়ে এত সব নিশ্চয়ই করা সম্ভব না। তবে আপনার প্রয়োজন ও সময় অনুযায়ী পরিকল্পনা করে নিন এর মধ্যে কোন কোন কাজ এখন করে রাখলে পরে আপনার চাপ কমবে।